25 November- 2020 ।। ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ।। সকাল ১০:৫৯ ।। বুধবার

বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত

সিও ডেস্কঃ নিজের শেকড়কে জানো, নিজেকে সমৃদ্ধ করো’ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রথম বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াড-২০১৯ এর যাত্রা শুরু হলো।

গত কাল শুক্রবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব (সাভার) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা উত্তর, সাভার, ধামরাই, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার ৩০টির বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী এই ইতিহাসের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সংগঠন মুক্ত আসরের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াড কমিটি এই অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে। আয়োজনে সহযোগিতা করছে বিজ্ঞান চিন্তা টিম নীলপদ্ম, ই‌ম্পেস ক‌মিউ‌নি‌কেশন ও ঢাকা বিশ্ব‌বিদালয় গ‌বেষণা সংসদ।

একইদিন সকাল সাড়ে ৯টায় স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এই অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াডের পতাকা উত্তোলন করেন কমিটির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল জলিল ভূঁইয়া।

দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে শুরু হয় আলোচনা সভা। সভায় কথাসাহিত্যিক সেলিন হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের সংগ্রামে গড়ে তোলা ইতিহাস একটি জাতির পরিচয়কে তুলে ধরে। বাঙালি জাতি ইতিহাসে সেই পরিচয়ের জায়গাটা গড়ে তুলেছে, যার মাধ্যমে আমরা বিশ্বের দরবারের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। বাঙালি যেখানেই যাক না কেন, বাঙালি জাতিসত্তাকে ধারণ করে, বাঙালি সংস্কৃতির সবটুকু ধারণ করেই তাকে থাকতে হবে। তা না হলে মানুষের যে মর্যাদা তা অর্জন করা সম্ভব হবে না।

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোজাম্মেল হক। আলোচনা সভা শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে পরীক্ষায় অংশ নেয়া শীর্ষ ১০ জন করে মোট ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য আশফাকুজ্জামান, মাহমুদ ইকবাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াড স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ইতিহাস সচেতন করার একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ। এই অলিম্পিয়াড ক্রমান্বয়ে দেশের ১২টি অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হবে। আঞ্চলিক পযায়ের বিজয়ীদের নিয়ে জাতীয় অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পর্যায়ের সেরাদের একটি টিম ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ইতিহাস অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করবে।

 

Sharing is caring!



এই বিভাগের আরো খবর...